বাংলার ওষধি গাছ থানকুনি
থানকুনি পাতা। সবাই প্রায় এই গাছটিকে চেনেন। বাংলার ওষধি গাছ হিসেবে এটি পরিচিত। নানা রোগের প্রতিকার হিসেবে গাছটির ব্যবহার। একদিকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অন্যদিকে হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে এই গাছ। এছাড়া নানা শারীরিক সম’স্যা সমাধানে এই গাছ বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন,থানকুনি হজমশক্তির জন্য উপকারী হতে পারে। পেঁপে ও কাঁচাকলার সঙ্গে থানকুনি পাতা মিশিয়ে রান্না করে খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। জ্বর নিরাময়েও সাহায্য করে থাকে থানকুনি। সকালে খালিপেটে থানকুনি পাতার রস খেলে জ্বর কমে যায়। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।
কাশি সারানোর জন্যও থানকুনি উপকারী। এই পাতার রস খুসখুসে কাশি কমাতেও সহায়তা করে। রক্ত পরিশুদ্ধ করে থাকে এই গাছ। সকালে খালিপেটে থানকুনি পাতার রস ও মধু মিশিয়ে কয়েকদিন খেলে র’ক্তদূ’ষণ দূর হয়। আমাশয় নিরাময় করার ক্ষেত্রেও থানকুনি উপকারী। থানকুনি পাতা চিবিয়ে খেলে আমাশা সেরে যায়। থানকুনি পাতা বেটে খেলেও উপকার পাওয়া যায়।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা এই গাছ সম্পর্কে বলছেন, লিভারের সমস্যা দূর করে থানকুনি। এই গাছের পাতার রস, সামান্য কাঁচা হলুদের রস,মধু মিশিয়ে খেলে লিভারের সমস্যা দূর হয়। শিশুদের জন্য থানকুনি পাতার রস উপকারী। এই পাতার সঙ্গে ঠাণ্ডা দুধ ও মধু মিশিয়ে খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়। পেটব্য’থা কমানোর ক্ষেত্রেও থানকুনি পাতা কার্যকরী। এই পাতা বেটে গরম ভাতের সঙ্গে খেলে পে’টব্য’থা উপশম হয়।
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে থানকুনি পাতা। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শরীরের নানা রোগ থেকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে।

